॥ ট্রাভেলঅন২৪ ডটকম ডেস্ক ॥ বিশ্বব্যাপী দেশের পর্যটনশিল্প বিপণনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রথমবারের মতো আয়োজন করেছে ‘পরিচিতিমূলক ভ্রমণ’ বা ফ্যামিলিয়ারাইজেশন ট্যুর সংক্ষেপে ‘ফ্যাম ট্যুর’। এ পরিচিতিমূলক ভ্রমণে অংশ নিতে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিক ও পর্যটকরা এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের প্রসারে বছরব্যাপী পর্যটন বিপণন কার্যক্রম ‘ভিজিট বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন’-এর অংশ হিসেবে এ ভ্রমণের আয়োজন। এতে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিক ও পর্যটকরা নিজ নিজ দেশে ফিরে বিভিন্ন পত্রিকা, ম্যাগাজিন, ট্রাভেল পত্রিকা ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বাংলাদেশের পর্যটনের ওপর বিশেষ ফিচার, কাভার স্টোরি, প্রতিবেদন, ডকুমেন্টারিসহ প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করবেন— এটাই ভ্রমণের উদ্দেশ্য। এতে সংশ্লিষ্ট দেশসহ অন্যান্য দেশে বাংলাদেশের পর্যটন সম্পর্কে একটি ইতিবাচক ভাবমূর্তি এবং বিশ্বে পর্যটনের একটি স্থায়ী বাজার গড়ে উঠবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

এক সূত্রে জানা গেছে, ট্যুরিজম বোর্ডের এ ভ্রমণে অংশ নিচ্ছেন জাপান, জার্মানি ও স্পেন থেকে আগত সাংবাদিক (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), ফটোজার্নালিস্ট, ট্রাভেল রাইটার, ডকুমেন্টারি নির্মাতা, এডিটোরিয়ালিস্ট, ট্যুর অপারেটরসহ পর্যটনসংশ্লিষ্ট ১৫ জন। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া আট দিনের ভ্রমণ শেষ হবে ২৩ জুন। এ সময়ে অতিথিদের দেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্য পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, বাহেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ও বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন ঘুরিয়ে দেখানো হবে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি, খাদ্য, জীবনযাত্রা, উত্সব, পুরাকীর্তি, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং দেশের মানুষ ও তাদের আতিথেয়তার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।

ভ্রমণশেষে বিদেশী অতিথিরা ২২ জুন ঢাকার একটি হোটেলে সাংবাদিক ও পর্যটনসংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এতে তারা বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করবেন। ২৩ জুন অতিথিরা ঢাকা ত্যাগ করবেন।

উল্লেখ্য, ১৬ জুন রাতে ঢাকা ক্লাবে অতিথিদের সম্মানে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড নৈশভোজের আয়োজন করে। উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব আতাহারুল ইসলামসহ ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব), ট্যুরিজম রিসোর্ট ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ (ট্রিয়াব), বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন অব ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট (বিএফটিডি) ও ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএইচএ) প্রতিনিধিরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here