বাগেরহাট প্রতিনিধি
ঈদুল-ফিতরের ছুটির দিনে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় বাড়বে দুই মনোমুঙ্কর পর্যটন কেন্দ নক হোটেল ও পর্যটন করপোরেশনের মোটেলের অগ্রিম বুকিং দিয়েছেন অনেকেই। প্রতিবছরের মতো এই ঈদেও সুন্দরবনের করমজল, হাড়বাড়িয়া, কটকা, কচিখালীসহ ট্যুরিস্ট স্পটগুলো পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এ ছাড়া ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সংলগ্ন জাদুঘরও ঈদের ছুটির মধ্যে পর্যটকদের জন্য খোলা রাখা হবে। সুন্দরবন বিভাগ, পর্যটন করপোরেশন ও বাগেরহাটের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ পর্যটকের ভিড় সামলাতে প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে। সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের ডিএফও মিহির কুমার দো জানান, প্রতিবছরের মতো চলতি বছরও ঈদ উপলক্ষে সুন্দরবনের করমজল, কচিখালী, কটকাসহ ট্যুরিস্ট স্পট পর্যটকদের জন্য খোলা রাখা হয়েছে।
মূলত ঈদের পরের দিন থেকে সৌন্দর্যপিপাসু মানুষ পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণে আসেন। বনবিভাগের পক্ষ থেকে পর্যটকদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থার নেওয়া হয়েছে। থাকছে পুলিশের অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও।
সুন্দরবনের করমজল পর্যটন কেন্দে র তত্ত্বাবধায়ক আবদুর রব জানান, প্রতিবছর ঈদ, পূজাসহ বিভিন্ন উৎসবে পর্যটকরা সুন্দরবন ভ্রমণে আসেন। বিশেষ করে দুই ঈদ ও দুর্গাপূজার সময়ে তিন-চার লাখ মানুষ এখানে আসেন। চলতি বছর আবহাওয়া একটু খারাপ হওয়ার হয়তো পর্যটকদের ভিড় কিছুটা কম হবে। বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন জানান, ঈদের ছুটির মধ্যেও ষাটগম্বুজ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ইতিমধ্যেই ষাটগম্বুজ মসজিদের পুরো এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে, যেন সেখানে আগত পর্যটকদের কোনো অসুবিধা না হয়। সারা বছরই এখানে পর্যটক আসেন। তবে ঈদের ছুটিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ পরিদর্শনে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আগমন বেশি হয় বলে জানান তিনি। অনেকে ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের নামাজও আদায় করেন। তবে ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনের চত্বরে কাদা-পানি থাকায় এবারের ঈদের নামাজ পড়তে অনেক পর্যটকের অসুবিধা হতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here